আপেল খাওয়ার উপকারিতা এবং পুষ্টি গুনাগুন

 ২০২৫ সালের বাংলাদেশের সোলার প্যানেল বাসা-বাড়িতে বসানোর খরচ কতপ্রথমত আমরা জানি আপেল একটি পুষ্টি গুনাগুন সমৃদ্ধ ফল যা স্বাস্থ্যকর খাদ্য হিসেবেও অধিক পরিচিত।



সূচিপত্র: আপেল খাওয়ার উপকারিতা এবং পুষ্টি গুনাগুন

পুষ্টি গুনাগুন সমৃদ্ধ খাবার

প্রথমত আমরা জানি আপেল একটি পুষ্টি গুনাগুন সমৃদ্ধ ফল যা স্বাস্থ্যকর খাদ্য হিসেবেও অধিক পরিচিত। আপেলে ভিটামিন (C) ফাইবারের পাশাপাশি আন্টিঅক্সিডেন্ট এবং বিভিন্ন ধরনের খনিজ উপাদান সমূহ ভরপুর বিদ্যমান আছে। আপেল খাওয়ার প্রধান তিনটি কারণ হলো যথাক্রমে:

  • আপেল খাবার মাধ্যমে একজন মানুষের হজম শক্তি বৃদ্ধি পায়।
  • আপেল শরীরের ওজন নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করে ।
  • শরীরের বিভিন্ন ধরনের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় এবং ত্বকের স্বাস্থ্যজ্জ্বলতা বৃদ্ধি করে।

হজমশক্তি উন্নত

আপেল একজন মানুষের হজম শক্তি উন্নত গরমে খুবই গুরুত্বপূর্ণ খাবার। আপেলে প্রচুর পরিমাণে ফাইবার থাকে যা আমাদের হজম শক্তিপ্রক্রিয়াকে স্বাভাবিক ও সচ্ছল রাখতে সহায়তা করে।
আপেল কিভাবে হজম শক্তি বাড়ায়?
  1. অধিক ফাইবার: আপেলের মধ্যে এক ধরনের দ্রবণীয় ফাইবার আছে যার নাম হল প্যাকটিন। এই দ্রবণীয় প্যাকটিন অন্তরে ব্যাকটেরিয়া বাড়ায় এবং দ্রুত ও সহজে মলত্যাকে সাহায্য করে।
  2. অ্যাসিডিক: অ্যাসিদিক মূলত আপেলের প্রাকৃতিক অম্লীয় উপাদান যা খাদ্যকে পাচনতন্ত্র করে এবং দ্রুত হজমে সাহায্য করে।
  3. অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ও পলিফেনল: মূলত গ্যাসটিক সমস্যা প্রতিরোধে সাহায্য করে এবং অন্ত্রের স্বাস্থ্য রক্ষা করে।
  4. জলীয় উপাদান: আপেলে প্রচুর পরিমাণে পানি থাকার কারণে হজম প্রক্রিয়া স্বাভাবিক হয় এবং কোষ্ঠকাঠিন্য  দূর হয়।
কখন আপেল খাওয়া প্রয়োজন:
  • অন্ত্র স্বাস্থ্য সুরক্ষা বা পরিষ্কার রাখার জন্য সকালে খালি পেটে আপেল খাওয়া ভালো।
  • খাবার খাওয়ার আগে বা পরে হজম শক্তি বাড়ানোর জন্য আপেল খাওয়া প্রয়োজন।
  • মনে রাখতে হবে রাতে আপেল না খাওয়াই ভালো কারণ গ্যাস্টিকের সমস্যা হতে পারে।
বি:দ্র: আপনার যদি গ্যাস্ট্রিক বা এসিডিটির সমস্যা থেকে থাকে সেক্ষেত্রে লাল আপেলের পরিবর্তে সবুজ আপেল খাবেন কারণ এতে চিনির পরিমাণ কম থাকে এবং খাদ্য পাচনে খুবই সহায়ক।

ওজন নিয়ন্ত্রণে সহায়তা

ওজন নিয়ন্ত্রণের ক্ষেত্রে আপেল খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি খাবার বা ফল, আপেলে ক্যালোরি কম থাকে কিন্তু ফাইবার এবং পানি যথেষ্ট পরিমাণে থাকে যা একজন মানুষের ক্ষুধা নিবারণ বা কমাতে সাহায্য করে।
কিভাবে আপেল ওজন কমাতে সাহায্য করে?
  1. আপেলে এক ধরনের দ্রবণীয় ফাইবার (প্র্যাক্টিন) থাকে যা মানুষের পেট ভরিয়ে রাখে এবং অতিরিক্ত খাওয়ার প্রবণতা কমায়।
  2. আপেলের ক্যালরি কম কিন্তু পুষ্টিকর অনেক এক্ষেত্রে একটি মাঝারি আকারের আপেলে ৯০-১০০ ভাগ পর্যন্ত ক্যালরি থাকে যার স্বাস্থ্যের জন্য বা ডায়েটের জন্য খুবই উপকারী।
  3. আপেলে প্রাকৃতিকভাবে চিনি থাকে এক্ষেত্রে চকলেট বা মিষ্টি জাতীয় খাবারের থেকে আপেল ভালো খাবার যা শরীরের অতিরিক্ত ক্যালরি এড়াতে সহায়তা করে।
  4. আপেলে এক ধরনের অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট বা পলি ফেনাল থাকে যা চর্বি পোড়ানো বা হার বৃদ্ধিতে সহায়তা করে।
  5. আপেল খেলে শরীরের হাইড্রো সেন বজায় থাকে যার ৮৫%  পানি।
ওজন কমানোর জন্য সকালে খালি পেটে অথবা যে কোন খাবার খাওয়ার আগে আপেল খান।

হৃদযন্ত্রের স্বাস্থ্য রক্ষা

মানব শরীরে হৃদযন্ত্রের স্বাস্থ্য রক্ষায় আপেল খুবই গুরুত্বপূর্ণ। আপেলে রয়েছে বিভিন্ন ধরনের পুষ্টিগুণাগুণ।
আপেল হৃদযন্ত্রের জন্য যেভাবে উপকার করে:
  1. শরীরে কোলেস্টেরল কমাতে সাহায্য করে: আপেলে এক ধরনের দ্রবণীয় ফাইবার আছে যার নাম পেকটিন এটি রক্তে খারাপ কোলেস্টেরল গুলো কমাতে সাহায্য করে, এমনকি ধমনীর মধ্যে চর্বি জমা হওয়া প্রতিরোধ করতে সহায়তা করে।
  2. রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ: আপেলের মধ্যে প্রচুর পরিমাণে পটাশিয়াম আছে যা উচ্চ রক্তচাপ কমাতে সাহায্য করে এবং স্ট্রোক ও হার্ট এটাকের ঝুঁকি কমায়।
  3. অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ খাবার: আপেলে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি আছে যা দেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় এবং রক্তনালী গুলোকে স্থিতিস্থাপক রাখে।
  4. ডায়াবেটিস প্রতিরোধ: আপেল মূলত একটি খাবার চা রক্তে শর্করার মাত্রা স্থিতিশীল রাখে যা ডায়াবেটিসের ঝুঁকি কমিয়ে দেয় এবং হৃদযন্ত্র কেও সুরক্ষা রাখে।
  5. ওজন নিয়ন্ত্রণ: আপেলে একটি নির্দিষ্ট মাত্রার ফাইবার থাকে যা দীর্ঘক্ষণ পেট ভরা রাখতে সাহায্য করে এবং খাবার প্রবণতা কমিয়ে দেয়।
আপেল খাওয়ার উপায়
  • প্রতিদিন প্রায় ই যদি পারেন এক থেকে দুইটি আপেল খেতে পারেন।
  • আপেল খোসাসহ খাওয়া ভালো যদি খেতে পারেন কারণ আপেলের খোসাতে প্রচুর এন্টিঅক্সিডেন্ট এবং ফাইবার থাকে।
  • প্রক্রিয়াজাত আপেল পণ্য যেমন আপেলের জুস বা আপেল পাই ইত্যাদি এড়িয়ে চলুন কারন এতে অতিরিক্ত চিনি থাকতে পারে যা ডায়াবেটিসের কারণ হতে পারে।

রক্তে শর্করার পরিমাণ নিয়ন্ত্রণ

রক্তে শর্করার পরিমাণ নিয়ন্ত্রণ রাখতে আপেল একটি যথাযথ গুরুত্বপূর্ণ খাবার। আপেল ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য খুবই উপকারী বিশেষ করে সবুজ আপেল।

আপেল যেভাবে রক্তে শর্করার পরিমাণ নিয়ন্ত্রণ করে:
  • উচ্চ ফাইবার: আপেলে প্রচুর পরিমাণে প্যাকটিন নামক দ্রবণ থাকে যা খাবার হজম করতে এবং রক্তের গ্লুকোজ শোষণের হার কমিয়ে দেয় যার ফলে ইনসুলিনের চাহিদা কমে এবং মানবদেহে রক্তের শর্করার পরিমাণ নিয়ন্ত্রিত হয়।
  • কম গ্লাইসেমিক: আপেলের গ্লাইসেমিক ইনডেক্স মূলত ৩৮ থেকে ৪০ যা স্বাভাবিকভাবে কম বলে বিবেচিত । যা হঠাৎ করে রক্তে গ্লুকোজের পরিমাণ বাড়ায় না ফলে ডায়াবেটিসের ঝুঁকি কম থাকে।
  • প্রাকৃতিক চিনি কিন্তু ক্ষতিকর না: সাধারণত লাল এবং সবুজ দুই রংয়ের আপেল পাওয়া যায়। ক্ষেত্রে লাল আপেলে প্রাকৃতিকভাবেই চিনির পরিমাণ একটু বেশি এবং সবুজ আপেলে চিনির পরিমাণ কম থাকে যার ফলে রক্তের শর্করার পরিমাণ দ্রুত বাড়ে না।
  • হজম নিয়ন্ত্রণ: আপেল হজম শক্তি নিয়ন্ত্রক এবং শরীরের কোষ্ঠকাঠিন্য প্রতিরোধ করে এবং অন্তরের ব্যাকটেরিয়া ভারসাম্য বজায় রাখতে সাহায্য করে।

মস্তিষ্কের কার্যকারিতা

মস্তিষ্কের কার্যকারিতায় আপেল একটি অত্যন্ত উপকারী ফল। আপেলে থাকা বহু অংশে পুষ্টিগুণ মস্তিষ্কের স্বাস্থ্যের জন্য খুবই প্রয়োজনীয়। নিচে আপেলের কিছু প্রয়োজনীয়তা হলো:
  1. স্মৃতিশক্তি বাড়ায়: আপেলে রয়েছে বহু অংশে এন্টিঅক্সিডেন্ট যা মস্তিষ্কের কোষ কে অক্সিডেন্ট এবং বহু স্ট্রেস থেকে রক্ষা করার মাধ্যমে স্মৃতিশক্তি বৃদ্ধি করে।
  2. স্মৃতিভ্রংশ প্রতিরোধ: অনেক গবেষণায় দেখা গেছে আপেলে যে পুষ্টি গুনাগুন গুলো আছে সেগুলো মস্তিষ্কের কোষগুলোকে ক্ষয় থেকে রক্ষা করে এবং ডিমেনশিয়া প্রতিরোধে সাহায্য করে।
  3. মানসিক চাপ বা বিষণ্ণতা কমায়: আপেলে রয়েছে ভিটামিন সি এবং বি কমপ্লেক্স যা মানসিক চাপ কমাতে সাহায্য করে এবং স্নায়ুতন্ত্র কে শক্তিশালী রাখে।
  4. অক্সিজেন সরবরাহ উন্নত: পেলে রয়েছে এক ধরনের আয়রন যা মস্তিষ্কে পর্যাপ্ত পরিমাণে অক্সিজেন চলাচলে সহায়তা করে এবং মস্তিষ্ককে সক্রিয় রাখে।

রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি

মানবদেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধিতে আপেল অধিক কার্যকরী উপাদান বা ফল। আপেলে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট আছে যা মানব শরীরকে বিভিন্ন ধরনের রোগ থেকে রক্ষা করে।

আপেল কিভাবে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে:
  • ভিটামিন সি (C): প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি আছে যা শরীরের রক্তকণিকা বাড়িয়ে শরীরকে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা উন্নত করণ করে।
  • অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট: মূলত পলিফেনাল কোষের ক্ষতি করে এবং শরীরকে ফ্রি রেডিকেলের বিভিন্ন ক্ষতিকর দিক থেকে বা প্রভাব থেকে বাচাই বা রক্ষা করে।
  • ফাইবার: আপেলে বহু অংশে খাইবার থাকে যা মানব শরীরে হজম শক্তি বাড়ায় এবং স্নায়ুতন্ত্র কে সচল রাখে।
  • ভিটিক্সিফিকেশন: খাওয়ার ফলে শরীর থেকে টক্সিন দূর হয়ে যায় যার ফলে লিভার পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন থাকে।

ত্বক এবং চুলের যত্নের সহায়ক

আপেল ত্বক এবং চুলের জন্য খুবই উপকারী এতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি এবং অক্সিডেন্ট ফাইবার।

ত্বকের যত্নে আপেল:
  1. ত্বক উজ্জ্বল: আপেলে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি আছে যার ফলে মানুষের ত্বকের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধি পায়।
  2. প্রাকৃতিক মহেশচারাইজ: আপেলের বিভিন্ন প্রাকৃতিক উপাদান ত্বককে হাইড্রেট রাখতে সাহায্য করে।
  3. ব্রণ দূর করে: আপেলে এক ধরনের অ্যাস্টিনজেন্ট আছে যা ব্রণের সমস্যা কমায় বা দূর করে।
  4. বার্ধক্যের লক্ষণ কম: আপেলে থাকা এন্টি অক্সিডেন্ট সূক্ষ্ম এবং বলিরেখা প্রতিরোধে সাহায্য করে বা অবদান রাখে।
আপেল ব্যবহারে ফেসপ্যাক:
  • উজ্জ্বল ত্বকের জন্য এক টেবিল চামচ পরিমাণ আপেল পেস্ট তৈরি করুন যথা: এক টেবিল পরিমাণ আপেলের সাথে এক চামচ পরিমাণ মধু 15 মিনিট ধরে মিশিয়ে মুখে লাগিয়ে ধুয়ে ফেলুন।
  • ব্রনের জন্য লেবুর রসের সাথে মিশিয়ে ১০ মিনিট পর ধুয়ে ফেলুন।

চুলের যত্নে আপেল:
  1. চুল পড়া রোধ: আপেলে এক ধরনের বায়োটিন এবং পলিফেনোল আছে যা চুলের গোড়া মজবুত এবং শক্তিশালী করে।
  2. খুশকি দূর: আপেলে এক ধরনের ভিনেগার আছে যার মাধ্যমে খুশকি দূর হয়।
  3. চুল নরম অথবা চকচকে: আপেলে এক ধরনের প্রাকৃতিক এসিড বিদ্যমান যার মাধ্যমে চুল নরম এবং চকচকে দেখায়।
  4. চুলের বৃদ্ধি: আপেলের রস চুলের সাথে ভালোভাবে ম্যাসাজের কারণে চুলের বৃদ্ধি ঘটে।
আপেলের হেয়ার মাস্ক:
  • চুল পড়া কমানোর জন্য আপেলের রসের সাথে এলোভেরা মাথায় বিশ মিনিট ধরে রেখে তারপর ধুয়ে ফেলুন।
  • খুশকি দূর করার জন্য ভিনেগারের সাথে পানি এক দশমিক দুই অনুপাতে শ্যাম্পুর পর 5 মিনিট ধরে ধুয়ে ফেলুন।

হাড়ের মজবুত গঠন

হাড়ের স্বাস্থ্যের জন্য আপেল খুবই সহায়ক কারণ এতে রয়েছে কিছু গুরুত্বপূর্ণ পুষ্টি উপাদান।
হাড়ের জন্য আপেলের উপকারিতা:
  1. অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট: আপেলে এক ধরনের কুয়েরসেটিন, এবং ফ্ল্যাভোনয়েডস যা মানব শরীরে হাড়ের ক্ষয় রোধ করতে খুবই সহায়ক।।
  2. ভিটামিন সি (C): আপেলের ভিটামিন সি প্রচুর পরিমাণে আছে যা কোলাজেন উৎপাদন করে এবং হার ও সংযোগকারী টিস্যুর গঠনে সাহায্য করে।
  3. Boron: আপেল ক্যালসিয়ামের শোষণ উন্নত করে যা হাড়ের ঘনত্ব বৃদ্ধি করে।
  4. পটাসিয়াম: পটাশিয়াম শরীর থেকে সোডিয়াম বের করার মাধ্যমে শরীরের হাড় দুর্বল হওয়া কমায় বা রোধ করে।
কিভাবে আপেল খাবেন?
  • প্রতিদিন অন্ততপক্ষে একটি আপেল খাওয়া উপকারী।
  • আপেলের খোসা সহ খাওয়া ভালো কারণ এতে ফাইবার এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট বেশি থাকে।
  • আপেল সালাত এবং ওটো মিলের সাথে মিশিয়ে নিয়মিত খেতে পারেন।
বি:দ্র: শুধুমাত্র আপেল খেলেই মানুষ শরীরে হাড় শক্তিশালী হয় না এজন্য পর্যাপ্ত ক্যালসিয়াম, ভিটামিন ডি, প্রোটিন এবং নিয়মিত ব্যায়াম করা আবশ্যক ।

ক্যান্সার প্রতিরোধ ক্ষমতা

আপিলে আছে প্রচুর পরিমাণে ফাইবার এবং এন্টিঅক্সিডেন্ট যা উদ্ভিজ্জ রোগ এমনকি ক্যান্সার প্রতিরোধে সহায়ক।
ক্যান্সার প্রতিরোধে আপেল:
  1. অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ খাবার: আপনি এক ধরনের ক্যাটেচিন কুয়াসেটিন ইত্যাদি জাতীয় অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট আছে যা কোষের ক্ষতি কমিয়ে দেয় এবং ক্যান্সারের ঝুঁকি রোধ করতে সাহায্য করে।
  2. ফাইবার: আপেলে এক ধরনের প্র্যাকটিন নামক ভাইপার আছে যা অন্ত্রের স্বাস্থ্য ভালো রাখে এবং কোলন ক্যান্সারের ঝুঁকি হ্রাস করে।
  3. এন্টি ইনফ্লেমেটরি: আপেলে পলিফেনল নামক এক ধরনের যৌগ আছে যা দীর্ঘ মেয়াদে ক্যান্সার প্রতিরোধে অধিক কার্যকর।
  4. ডিএনএ সুরক্ষা: মাহফিলে এক ধরনের নির্যাস এনজাইম আছে যা ডিএনএ ক্ষতির বিরুদ্ধে বা বিপক্ষে কাজ করে এবং ক্যান্সারের কোষগুলি বৃদ্ধি কমায়।
আপেল যে ধরনের ক্যান্সারের ঝুঁকি কমায়:
  • ফুসফুস ক্যান্সার
  • স্তন ক্যান্সার
  • পাকস্থলী ক্যান্সার
  • কোলন ক্যান্সার ইত্যাদি বিশেষ।
(মনে রাখতে হবে শুধু আপেল ই নয় আপেল খাবার পাশাপাশি স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস এবং নিয়মিত ব্যায়াম করা খুবই জরুরী যা সুস্থ জীবনধারা জন্য অধিক কার্যকর)


এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পূর্বের পোস্ট দেখুন পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

আশিক টেক আইটি নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন প্রতিটা কমেন্টে রিভিউ করা হয় নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।

comment url