প্রবাসী লোন কিভাবে পাওয়া যায় ২০২৫
চুলের যত্নে কালোকেশী ব্যবহারসাধারণত মানুষ প্রবাসে বসবাস গত বাংলাদেশের ভিতরে ব্যবসা-বাণিজ্যের জন্য আর্থিক
সাহায্যের প্রয়োজন হয়ে থাকে। এক্ষেত্রে প্রবাসী লোন একটি গুরুত্বপূর্ণ আর্থিক
মাধ্যম। ২০২৫ সালে ব্যাংকিং প্রতিষ্ঠানগুলো প্রবাসীদের জন্য সহজলভ্য কিছু লোন এর
ব্যবস্থা করেছে। নিম্নে প্রবাসী লোন সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করা হলো:
সূচিপত্র: প্রবাসী লোন কিভাবে পাওয়া যায়।
প্রবাসী ঋণের প্রকারভেদ
প্রবাসী ঋণ সাধারণত প্রবাসে বসবাসরত বাংলাদেশীরা তাদের বিভিন্ন প্রয়োজনে
যথা শিক্ষা,ব্যবসা,গৃহ-নির্মাণ এবং চিকিৎসা ক্ষেত্রে গ্রহণ করে। প্রবাসী
বাংলাদেশীরা বিদেশে অবস্থানরত থাকা সাপেক্ষে এই ঋণ গুলি আর্থিক প্রতিষ্ঠান
থেকে পেয়ে থাকে। প্রবাসী ঋণের বিশেষ কিছু প্রকারভেদ নিম্নে আলোচনা বা
বিশ্লেষণ করা হলো:
শিক্ষা ঋণ:
প্রবাসে বসবাসরত শিক্ষার্থীদের জন্য এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ ঋণ। অনেক সময়
প্রবাসী ছাত্র-ছাত্রীরা বিদেশে উচ্চ শিক্ষার জন্য বড় অংকের টাকা খরচ করে থাকে,
উক্ত খরচ বহনে বাংলাদেশী ব্যাংক গুলি বিভিন্ন ধরনের শিক্ষা ঋণ দিয়ে থাকে।
এছাড়াও শিক্ষার্থীরা তাদের পড়াশোনা,কোর্স ফি,থাকা এবং বই পুস্তক কেনার জন্য
বিভিন্ন ধরনের ঋণ গ্রহণ করে থাকে।
ব্যবসা ঋণ:
অনেক সময় প্রবাসী বাংলাদেশীরা দেশে ও বিদেশে ব্যবসায়ী করতে চান। ব্যবসা
পরিচালনার জন্য পর্যাপ্ত মূলধন ও বিনিয়োগের জন্য প্রবাসী ঋণ দেওয়া হয়ে থাকে।
ব্যবসায়ী পরিচালনায় এসব ঋণ প্রতিষ্ঠানের প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি ক্রয়
সরঞ্জাম ক্রয় এবং কর্মী নিয়োগ সহ অন্যান্য খরচ বহনে সাহায্য করে।
চিকিৎসা ঋণ:
উল্লেখিত শিক্ষা এবং ব্যবসার ঋণ ছাড়াও চিকিৎসা ঋণ একটি বড় মাধ্যম প্রবাসী
বাংলাদেশীদের জন্য। অনেক সময় প্রবাসী বাংলাদেশীরা বিদেশে বসবাসরত চিকিৎসকদের
থেকে সেবা নিয়ে থাকেন, যা তাদের খরচের চেয়েও অধিক হয়ে থাকে। এমন অবস্থায় ঋণ
গ্রহণের মাধ্যমে চিকিৎসা ব্যয় বহন করা হয়।
প্রবাসী ঋণের জন্য যোগ্যতা
সাধারণত প্রবাসী ঋণের জন্য নির্দিষ্ট কিছু শর্ত এবং যোগ্যতা থাকে। এগুলা
ব্যাংক এবং ঋণদাতার সমন্বয়ে পরিবর্তিত হতে পারে। নিম্নে প্রবাসী ঋণের
যোগ্যতা গুলি আলোচনা করা হলো:
প্রবাসী হওয়া:
কোন একজন ব্যক্তি প্রবাসী এবং বিদেশে ব্যবসা করতে চাই এক্ষেত্রে উক্ত ব্যক্তি
প্রবাসী লোনের জন্য আবেদন করতে পারবে।
কাজের স্থায়িত্ব:
বিদেশে কমপক্ষে ৬ মাস থেকে এক বছর কাজ করার অভিজ্ঞতা থাকতে হবে। মাসিক আয় এর
উপর ভিত্তি করে ঋণের পরিমাণ নির্ধারণ করা হয়।
ঋণ পরিশোধ ক্ষমতা:
ঋণ নেওয়ার পরে ব্যক্তি উক্ত ঋণ পরিশোধের ক্ষমতা আছে কি তার উপযুক্ত প্রমাণ
দিতে হবে। সাধারণভাবে ব্যাংক এবং ঋণদাতারা আপনার মাসিক আয় এবং ব্যয়ের উপর
ভিত্তি করে ঋণের পরিমাণ নির্ধারণ করে থাকেন।
বয়সের সীমা:
২১ থেকে ৬৫ বছরের মধ্যে ঋণগ্রহীতার বয়সসীমা হতে হবে। উক্ত বয়সসীমা ঋণদাতা
প্রতিষ্ঠান বা কোম্পানির নীতির ওপর নির্ভর করে।
সোশ্যাল সিকিউরিটি বা ইন্সুরেন্স:
অনেক প্রতিষ্ঠান আছে যেখানে আপনি প্রবাসী ঋণ নিতে চান এক্ষেত্রে আপনার সামাজিক
নিরাপত্তা বা ইনস্যুরেন্স থাকতে হবে।
ঋণ আবেদন প্রক্রিয়া
ঋণ আবেদন প্রক্রিয়া, নির্দিষ্ট কিছু ধাপে সম্পূর্ণ হয়ে থাকে, যেখানে ঋণ
গ্রহীতাকে নির্দিষ্ট একটি নীতি অনুসরণ করতে হয়। সাধারণ এবং প্রবাসী ঋণ আবেদন
প্রক্রিয়া নিম্নরূপ:
ঋণগ্রহীতা নির্বাচন:
ঋণ গ্রহণের ক্ষেত্রে প্রধান বিবেচ্য বিষয় হলো ঋণগ্রহীতা প্রতিষ্ঠান এবং
ব্যাংক নির্বাচন করা। ঋণ পরিশোধের শর্ত সুদের হার এবং যেটি আপনার প্রয়োজন সে
অনুযায়ী ঋণগ্রহীতা ব্যাংক বা প্রতিষ্ঠান নির্বাচন করুন।
প্রয়োজনীয় নথিপত্র প্রস্তুত:
ঋণ পাওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় কিছু কাগজপত্র প্রস্তুত করতে হয়। যেমন:
আইটি প্রুফ: ঋণ আবেদনের জন্য এ ঋণগ্রহী তাকে অবশ্যই আইডি প্রুফ দাখিল
করতে হবে।
অফিস অথবা কাজের নথি: আপনি বিদেশে থাকেন এক্ষেত্রে বিদেশে চাকরি বা
ব্যবসা প্রমাণিত করার জন্য প্রয়োজনীয় employment letter বা contact পত্র
জমা দিতে হবে।
ঋণ আবেদন ফরম: ঋণদাতা প্রতিষ্ঠান থেকে উক্ত ফর্ম পূরণ করতে
হবে।
ঋণ আবেদন জমা দেয়া:প্রয়োজনীয় কাগজপত্র এবং আবেদন ফরম পূরণ করার পর ঋণ আবেদন জমা দিতে হবে। এক
প্রতিষ্ঠান আছে যেখানে অনলাইন এবং স্বশরীরে গিয়েও ঋণ আবেদন করা যায়।
ঋণ অনুমোদন:যদি আপনার ঋণ আবেদন এবং প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সব ঠিক থাকে এক্ষেত্রে ঋণদাতা
প্রতিষ্ঠান আপনাকে যোগ্য বলে মনে করবে এবং আপনার ঋণ অনুমোদন করতে পারেন।
অনুমোদন প্রক্রিয়ার পর আপনাকে প্রয়োজনীয় শর্ত জানানো হবে।
ঋণ পরিশোধ শুরু:প্রয়োজনীয় চুক্তি হওয়ার পর ঋণ প্রতিষ্ঠান প্রয়োজনীয় অর্থ আপনার
অ্যাকাউন্টে জমা করবে এবং আপনি যা নির্দেশ করেছেন সে অনুযায়ী ঋণ পরিশোধ শুরু
হবে। পরবর্তীতে আপনাকে নির্দিষ্ট পরিমাণে নির্দিষ্ট সময়ে কিস্তি পরিশোধ করতে
হবে।
প্রবাসী ঋণের সুদের হার
বিদেশে ব্যবসায় অথবা কর্মসংস্থানের জন্য প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংক অভিবাসন ঋণ
প্রদান করে থাকে, যেখানে সরল সুদের হার ৯% এবং সর্বোচ্চ মেয়াদ ৩ বছর, এবং
পরবর্তীতে কিস্তির মাধ্যমে পরিশোধযোগ্য হয়। বাংলাদেশ হাউজ বিল্ডিং ফাইন্যান্স
কর্পোরেশন প্রবাসী বাংলাদেশীদের প্রবাসী কল্যাণ ঋণ অথবা আবাসন ঋণ প্রদান করে
থাকেন।
এখানে বলা যায়ই ঢাকা এবং চট্টগ্রামে মেট্রোপলিটন এলাকায় সুদের হার্ট
৯% হয়ে থাকে। জনতা ব্যাংক তাদের স্থায়ী এবং নিয়মিত কর্মীদের জন্য পার্সোনাল
লোন প্রদান করে থাকে যেখানে সুদের হার ৯% পার্সেন্ট চক্রবৃদ্ধি এবং ত্রৈমাতৃক
ভিত্তিতে সেটি আরোপিত করা হয়। সময়ের সাথে সাথে সুদের হার এবং শর্ত পরিবর্তিত
হতে পারে। বিশেষ বা সর্বশেষ কোন তথ্যের জন্য সরাসরি ব্যাংকের সাথে যোগাযোগ করার
জন্য পরামর্শ দেওয়া হলো।
ঋণের পরিমাণ নির্ধারণ
সাধারণত সরকারের নীতি এবং আর্থিক কোন প্রতিষ্ঠানের উপর প্রবাসী ঋণের পরিমাণ
নির্ভর করে।
প্রবাসী দিনের পরিমাণ যেভাবে নির্ধারিত হয় নিম্নে তা দেওয়া হলো:
১. আবেদনকারীর যোগ্যতা
এক্ষেত্রে বৈধ কাজের অনুমতি এবং প্রবাসী নাগরিকত্ব সার্টিফিকেট থাকা জরুরি।
বিদেশে নির্দিষ্ট পরিমাণ আয় আছে তার উপযুক্ত প্রমাণ।
দেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নিয়ম নীতিমালা অনুযায়ী ঋণের যোগ্যতা থাকতে হবে।
২. ঋণের ধরন এবং উদ্দেশ্য
বিদেশে প্রবাস বসবাসরত প্রবাসীদের বিভিন্ন ধরনের ঋণ প্রদান করা হয়ে থাকে যেমন
গৃহঋণ ব্যবসায়িক ঋণ এবং ব্যক্তিগত ঋণ। নিম্নে উক্ত ঋণের উদ্দেশ্য গুলো হল:
গৃহঋণ: সাধারণত বাড়ি নির্মাণ বা ফ্যাট কেনার জন্য গৃহঋণ প্রদান করা
হয়।
ব্যবসায়িক ঋণ: ব্যবসায়ী সম্প্রসারণ এবং বৃদ্ধির লক্ষ্যে ব্যবসায়ীক ঋণ
দেওয়া হয়।
ব্যক্তিগত ঋণ: কোন একজন ব্যক্তির নিজস্ব জরুরি প্রয়োজনে এ ঋণ দেওয়া
হয়ে থাকে।
৩. ঋণের পরিমাণ নির্ধারণের মূল নীতিমালা
যিনি ঋণ আবেদন করবেন তার আয়ের পরিবার এবং স্থিতিশীলতা থাকতে হবে। এক্ষেত্রে
রেমিটেন্স পাঠানোর ধারাবাহিকতাও বাধ্যতামূলক এবং যিনি ঋণ গ্রহণ করবেন তার
অবশ্যই ঋণ পরিশোধের সক্ষমতা থাকা জরুরি।
ঋণ পরিশোধের সময়সীমা
যারা বিদেশে বসবাস করে তাদের কর্মসংস্থানে সহায়তা করার জন্য প্রবাসী কল্যাণ
ব্যাংক এবং সোনালী ব্যাংক প্রবাসীদের বিভিন্ন ধরনের ঋণ সুবিধা প্রদান করে
থাকেন। এখানে বিভিন্ন ব্যাংক বিভিন্নভাবে ঋণ পরিশোধের সময়সীমা এবং শর্ত আরোপ
করে থাকে। নিচে উভয় ব্যাংকের ঋণ পরিশোধের সময়সীমা এবং শর্ত সম্পর্কে আলোচনা
করা হলো:
প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংক
নির্দিষ্ট ক্ষেত্র অনুসারে ঋণের মেয়াদ ভিন্ন হতে পারে তবে সাধারণত ১ থেকে ৩
বছর হয়ে থাকে। এখানে উল্লেখযোগ্য বিষয় হচ্ছে এন্ট্রি ভিসার ক্ষেত্রে ঋণের
মেয়াদ সর্বোচ্চ দুই বছর হয়ে থাকে। এখানে দুই মাসের গেস্ট পিরিয়ড এবং মাসিক
কিস্তিতে ঋণ পরিশোধ করা যায়। এখানে দিন গ্রহণে ০.৫০% প্রসেসিং ফি প্রদান করা
হয়ে থাকে।
সোনালী ব্যাংক
সাধারণত চাকরির কন্টাক্ট ফর্মে মেয়াদের উপর নির্ভর করে ৩মাস গ্রেড
পিরিয়ডসহ ২৪ থেকে ৩৬ মাস পর্যন্ত ঋণের মেয়াদ নির্ধারিত হয়ে থাকে। এখানে
১২% হারে সরল সুদ আরোপ এবং আদায়যোগ্য হয়। আরো উল্লেখ্য এই যে দিন খেলাপি না
হলে আরোপিত সুদের আহারের ওপর ২% হারে রিবেট প্রদান করা হয়ে থাকে। আরো বলা
যায় ঋণ গ্রহণের আগে সর্বশেষ তথ্য এবং শর্তাবলী সম্পর্কে জানার জন্য সরাসরি
ব্যাংকের সাথে যোগাযোগ করার পরামর্শ দেওয়া হলো।
ঋণের জন্য আবেদন করার স্থান ও মাধ্যম
বিদেশে বসবাসরত প্রবাসী বাংলাদেশীদের জন্য প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংক বিভিন্ন ধরনের
ঋণ সুবিধা প্রদান করে থাকে, যার মধ্যে অভিবাসন ঋণ পুনর্বাসন ঋণ বঙ্গবন্ধু
অভিবাসী বৃহৎ পরিবার ঋণ এবং বিশেষ পুনর্বাসন ঋণ। উক্ত ঋণ গুলো পাওয়ার জন্য
আপনাকে অবশ্যই প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংকের শাখায় সরাসরি যোগাযোগ করতে হবে।
এক্ষেত্রে ব্যাংকের নির্ধারিত ফরম পূরণ করে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা দিতে
হবে।
প্রয়োজনীয় কাগজপত্রের মধ্যে রয়েছে জাতীয় পরিচয় পত্র, ভিসা, পাসপোর্ট,
বিএমএটি কার্ড এর ফটোকপি এবং পাসপোর্ট সাইজের ছবি এছাড়াও দুইজন জামিনদারের
সঠিক তথ্য উল্লেখযোগ্য।
বর্তমান সময়ে অনলাইনে আবেদন করার সুবিধা না থাকলেও ব্যাংকের ওয়েবসাইট থেকে
সরাসরি আবেদন ফরম ডাউনলোড করে পূরণ করে নির্দিষ্ট শাখায় জমা দেওয়া যায়।
বিস্তারিত আরও তথ্য পেতে প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংকের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট পরিদর্শন
করুন।
ঋণ অনুমোদন এবং বিতরণ প্রক্রিয়া
সাধারণত বাংলাদেশ সরকার এবং বিভিন্ন ব্যাংকের মাধ্যমে প্রবাসী ঋণ অনুমোদন
এবং বিতরণ প্রক্রিয়া পরিচালিত হয়ে থাকে। নিচে ঋণ অনুমোদন এবং প্রক্রিয়ার
ধাপ গুলো ক্রমানুসারে দেওয়া হলো:
১. যোগ্যতা নির্ধারণ:ঋণ গ্রহণকারীকে অবশ্যই বৈধ প্রবাসী হওয়া জরুরি এবং নির্দিষ্ট সময়ের জন্য
বিদেশে কর্মরত আছে এমন প্রমাণ পত্র থাকতে হবে। এক্ষেত্রে ঋণ পরিশোধের সক্ষমতা
গ্রহীতার আছে কিনা তার উপযুক্ত প্রমাণ পত্র থাকতে হবে অথবা নিশ্চিত করতে হবে।
২. প্রয়োজনীয় নথিপত্র প্রস্তুত: ঋণ গ্রহণের ক্ষেত্রে অবশ্যই ঋণগ্রহীতার পাসপোর্ট এবং ভিসার অনুমতি থাকা
আবশ্যক, এক্ষেত্রে ঋণগ্রহীতার ব্যাংক স্টেটমেন্ট তথা বৈদেশিক আয় দেখাতে হবে।
৩. ব্যাংকে আবেদন জমা দেওয়া: সাধারণত নির্দিষ্ট কোন ব্যাংক বা আর্থিক
প্রতিষ্ঠানের শাখায় সরাসরি গিয়ে অথবা অনলাইনে আবেদন করা যায়। এক্ষেত্রে
ব্যাংক অথবা আর্থিক প্রতিষ্ঠান আবেদনপত্র যাচাই-বাছাই করার মাধ্যমে ঋণের পরিমাণ
নির্ধারণ করে থাকে।
৪. ঋণ বিতরণ ও ব্যবহারের অনুমোদন: এক্ষেত্রে আবেদনপত্র যাচাই-বাছাই এবং
ঋণের পরিমাণ নির্ধারণ করার পর ঋণের অর্থ নির্দিষ্ট ব্যাংক হিসাবে জমা করা হয়।
উল্লেখ্য ব্যবসা এবং বিনিয়োগের প্রয়োজনে সরাসরি ব্যবহার করা যায় ঋণ।
লেখক এর শেষ মন্তব্য
প্রবাসী হিসেবে বিশ্বের যে কোন দেশে বসবাস করা অনেকের জন্য একটি বড় চ্যালেঞ্জ হতে পারে প্রবাসীরা যখন দেশে ফিরে এসে কিছু প্রয়োজনীয়তা পূরণের জন্য লোনের দরকার পরে। তবে প্রবাসীদের জন্য বিশেষ ধরনের লোন সুবিধা রয়েছে, যা তাদের দেশে ফিরে বা বিভিন্ন প্রয়োজনে তা পূরণের ক্ষেত্রে ব্যাপক ভূমিকা পালন করে,
প্রবাসী লোন সাধারণত দুটি প্রধান উৎস থেকে পাওয়া যায় ব্যাংক এবং আর্থিক প্রতিষ্ঠান মাধ্যমে প্রবাসী লোন পাওয়া যায় এইসব প্রতিষ্ঠান প্রবাসীদের জন্য বিশেষ ঋণ সুবিধা প্রদান করে থাকে। যার মাধ্যমে প্রবাসীরা দেশে ফিরে এসে বাড়ি কেনা ব্যবসা শুরু কিংবা শিক্ষা চিকিৎসা ইত্যাদি খাতে বিনিয়োগ করতে পারে তবে লোনের আবেদন করার আগে কিছু শর্ত ও নিয়মাবলী অনুসরণ করতে হবে।
প্রবাসীদের জন্য অনেক ব্যাংক বিদেশে বসবাস কালীন সময়ে তাদের কর্মকর্তার ওপর ভিত্তি করে ঋণ প্রদান করে থাকে। এক কথায় প্রবাসি লোন পাওয়া যতটা সহজ মনে হতে পারে বাস্তবে তার জন্য সামান্য জ্ঞান প্রস্তুতি ও সতর্কতা নিয়মাবলী মেনে চলতে হবে।
আশিক টেক আইটি নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন প্রতিটা কমেন্টে রিভিউ করা হয় নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।
comment url