মস্তিষ্কের রক্ত চলাচল বৃদ্ধির ১০টি সহজ উপায়

মস্তিষ্কের রক্ত চলাচল বৃদ্ধির ১০টি সহজ উপায় বিশেষজ্ঞদের মতে মস্তিষ্কের রক্ত সরবরাহ বাড়ানোর জন্য প্রয়োজন নিয়মিত ব্যায়াম, ও স্বাস্থ্যকর খাবার মানসিক চাপ কমানো এবং কি পর্যাপ্ত পরিমাণে ঘুম এবং স্বাস্থ্যকর জীবন দ্বারা অনুসরণ করার জন্য আপনাকে অবশ্যই ধূমপান ও অ্যালকোহল থেকে বিরত থাকতে হবে উন্নত করতে সহায়ক হতে পারে আপনার মস্তিষ্কের চিকিৎসকের মতে মাথার রক্ত সরবরাহ কমে গেলে বা বাধাগ্রস্তমস্তিষ্কের রক্তনালি শক্তিশালী করার উপায় হলে মাথার মস্তিষ্কের কোষের মৃত্যু হয় তখন মানুষ স্টক করে চলুন এ রোগের ঝুঁকি কমাতে আমরা মস্তিষ্কের বৃদ্ধির উপায় গুলো জেনে নিই।


পেজ সূচিপত্রঃ মস্তিষ্কের রক্ত চলাচল বৃদ্ধির ১০টি সহজ উপায়

মস্তিষ্কে রক্ত চলাচল কমে গেলে কি হয়

মস্তিষ্কে রক্ত চলাচল কমে গেলে কি হয়, বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের মতে মাথায় রক্ত সরবরাহ কমে গেলে বা রক্ত সরবরাহ বাধাগ্রস্ত হলে, মস্তিষ্কের কোষের মৃত্যু হয় এবং তৎক্ষণিক মানুষ স্টক করে মস্তিষ্ক ভালো রাখার জন্য আপনাকে নিয়মিত ব্যায়াম ও পুষ্টিকর খাওয়ার খেতে হবে। এবং কি আপনাকে সমস্ত চিন্তা ভাবনা থেকে দূরে থাকতে হবে 

আবার নেশাগ্রস্ত দের জন্য নেশা পরিহার করতে হবে তাহলে উচ্চ রক্তচাপের কারণে আপনার রক্ত সরবরাহ কমে যেতে পারে। একটি অলট্রাসাউন্ড গবেষণায় বা বিশেষজ্ঞদের মস্তিষ্কের ধমনীতে রক্ত চলাচলের বেগ পরিমাপ করতে দেয়। অর্থাৎ এই গুরুত্বপূর্ণ রিয়েল টাইম তথ্য মস্তিষ্কের রক্ত সরবরাহ পর্যাপ্ততার শিব প্রবাহের ধারণ সম্পর্কে মূল্যবান অন্ত্রদৃষ্টি প্রদান করে 

কি খেলে মস্তিষ্ক ভালো থাকে

কি খেলে মস্তিষ্ক ভালো থাকে, যেমন বিভিন্ন রকম শাকসবজি, বিভিন্ন রকমের বাদাম,বীজ, আরো খেতে হবে এভোকাডো, মাছ রেজমেরি ও হলুদ থেকে প্রাপ্ত ফ্যাটি অ্যাসিড যা আপনার মস্তিষ্ককে সর্বদা ভালো রাখার চেষ্টা করে এ রোগ থেকে মুক্তি পেতে হলে একসাথে একা একা না খেয়ে অনেকের সাথে মিলে খাওয়ার চেষ্টা করুন এবং সামাজিক ভাবে আপনি ঘোরাফেরা করুন আপনার মস্তিষ্কের এবং আপনি আপনার মস্তিষ্কের স্বাস্থ্যকর খাবারের সংখ্যা বাড়িয়ে দিন।

মস্তিষ্কের রক্তনালী শক্তিশালী করার উপায়

মস্তিষ্কের রক্তনালী শক্তিশালী করার উপায়, চিকিৎসকের মতে মস্তিষ্কের রক্তদানের শক্তিশালী করার উপায় অ্যারোবিক ব্যায়াম, এই ব্যায়াম আপনার মস্তিষ্কের অক্সিজেনের নিষ্কাশনের ক্ষমতা বৃদ্ধি করে থাকে এই ব্যায়ামটি। যোগব্যায়াম/পিলেট ব্যায়ামের মানসিক চাপ কমাতে প্রচুর পরিমাণে সাহায্য করে,

 এবং পেশী নির্মাণ ব্রেন ডিরাইভড নিউরোট্রাফিক ফ্যাক্টর অর্থাৎ (BDNF) নামক হরমোনের মাত্রা বাড়াতে সাহায্য করে যা আমাদের মস্তিষ্কের নতুন কোষ সৃষ্টি হয় এবং (ছোট রক্তনালী) বৃদ্ধি হয়ে থাকে।



এই মস্তিষ্কের রক্তক্ষরণ হলে কি হয়

নিম্নলিখিত কোন লক্ষণ আপনার সাথে ঘটলে বুঝবেন যে আপনার মস্তিষ্কের রক্ত ক্ষরণ হতে পারে।
  • যেমন হঠাৎ করে প্রচুর পরিমাণে মাথা ব্যথা
  • হঠাৎ এর আগে কোন দিন খিঁচুনি ইতিহাস না থাকা এবং আপনার খিঁচুনি হওয়া
  • দৃষ্টিশক্তি কম দেখা বা দৃষ্টিশক্তি পরিবর্তন
  • অসারতা কণ্ঠস্বর হওয়া
  • হঠাৎ করে আপনার একটি বাহু বা একটি পা দুর্বলতা দেখা
  • কথা বলা বা বোঝার অসুবিধা

মস্তিষ্কের রক্ত চলাচল কম হওয়ার কারণ

মস্তিষ্কের রক্ত চলাচল কম হওয়ার কারণ অনেকগুলো বিভিন্ন অবস্থান মস্তিষ্কের পেছনের অংশের রক্ত প্রবাহ কমাতে বন্ধ করতে পারে আমাদের সবচেয়ে সাধারণ ঝুঁকের কারণগুলি হল ধূমপান যেমন অ্যালকোহল আমাদের শরীরের উচ্চ রক্তচাপ এবং ডায়াবেটিসের উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন কোলেস্টেরলের বৃদ্ধি করে এবং মস্তিষ্কের রক্ত চলাচল কম হয়। 

মস্তিষ্কের শিরা রক্ত সঞ্চালনের জন্য একটি দুর্দান্ত বিভিন্ন ধরনের ব্যায়াম যা আপনার মস্তিষ্কের রক্ত চলাচল করতে সাহায্য করে যেমন পায়ে হাটা সাঁতার কাটা এবং বাইসাইকেল চালানো মতো এগুলো ব্যায়াম রক্ত পাম্প করে এবং মস্তিষ্কের সেরা গুলিকে সমর্থন করে। 

বিশেষজ্ঞদের মতে মস্তিষ্কের পেছনের অংশে রক্ত প্রবাহ কমাতে বা বন্ধ করতে পারে সবচেয়ে সাধারণ যুগের কারণ গুলি হল ধূমপান ও উচ্চ রক্তচাপ এ সকল কারণে আপনার মস্তিষ্কের রক্ত চলাচল কম হয় এবং এগুলির কারণে আপনি যেকোনো সময় ষ্টোক এর মত একটি বড় ঝুঁকির মুখে পড়তে পারেন এগুলো থেকে বাঁচতে হলে আপনাকে নেশাদব্য পরিহার করতে হবে এবং এর জন্য ব্যায়াম করা প্রয়োজন মস্তিষ্ক বৃদ্ধি করার জন্য আপনাকে হাত দিয়ে ব্যায়াম করা লাগবে এইগুলো করলে আপনার মস্তিষ্কের রক্ত চলাচল কোন সময় কম হবে না।

মস্তিষ্কে রক্ত চলাচল চেক করার উপায়

মস্তিষ্কের রক্ত চলাচল চেক করার উপায়, বিশেষ্য চিকিৎসকের মতে ট্রান্সকানিয়াল ডপলার (টিসিডি) একটি অলট্রাসাউন্ড গবেষণায় বা বিশেষজ্ঞদের মস্তিষ্কের ধমনীতে রক্ত চলাচলের বেগ পরিমাপ করতে দেয়। অর্থাৎ এই গুরুত্বপূর্ণ রিয়েল টাইম তথ্য মস্তিষ্কের রক্ত সরবরাহ পর্যাপ্ততার শিব প্রবাহের ধারণ সম্পর্কে মূল্যবান অন্ত্রদৃষ্টি প্রদান করে থাকে মস্তিষ্কে রক্ত চলাচল চেক করে।

 মস্তিষ্কের শিরা রক্ত সঞ্চালনের জন্য একটি দুর্দান্ত বিভিন্ন ধরনের ব্যায়াম যা আপনার মস্তিষ্কের রক্ত চলাচল করতে সাহায্য করে যেমন পায়ে হাটা সাঁতার কাটা এবং বাইসাইকেল চালানো মতো এগুলো ব্যায়াম রক্ত পাম্প করে এবং মস্তিষ্কের সেরা গুলিকে সমর্থন করে। আপনি এই সমস্ত ব্যায়ামগুলো করে দেখতে পারেন আপনার মস্তিষ্কের রক্ত চলাচল করছে কিনা।

মাথার রক্তনালী সংকুচিত হওয়ার কারণ কি 

মাথার রক্তনালী সংকোচিত হওয়ার কারণ, ইন্ট্রাক্রানিয়াল স্টেনোসিস,যা ইন্ট্রাক্রানিয়াল আর্টারি স্টেনোসিস নামেও পরিচিত। মস্তিষ্কের একটি ধমনী শুরু হয়ে থাকে যা স্টোকের কারণ হতে পারে, এটি সাধারণত প্লাক নামক চর্বি জমাট বাধার কারণে শক্ত হয়ে যায় এতে মস্তিষ্কের রক্তনালি সংকুচিত হওয়ার আশঙ্কা থাকে।

 সাধারণত মানুষের মস্তিষ্কের শক্তি বাড়ানোর জন্য দুর্দান্ত উপায়ে হলো ব্যায়াম যেকোনো ধরনের ব্যায়াম একাধিক জ্ঞান ক্ষমতা প্রয়োজন বা আপনার মস্তিষ্কে চ্যালেঞ্জ করে এবং প্রক্রিয়াকরণের গতি এবং স্মৃতিশক্তি উন্নত করে আপনাকে সর্বদা সব সময় মানুষের সাথে চলাফেরা করতে হবে একা একা চলাফেরা করা যাবে না 

কোন রকমের চিন্তা থেকে দূরে থাকতে হবে এবং নেশাদ্রব্য যেমন ডাক্স অ্যালকোহলথেকে বিরত থাকতে হবে তাতে আপনার শরীর ও মন সবই সর্বদা ভালো থাকবে এবং আপনার মস্তিষ্কে রক্তনালি বৃদ্ধি পাবে এই কাজগুলো করলে আপনি মানসিকভাবে এবং শারীরিকভাবে সুস্থ জীবন কাটাতে পারবেন

 এবং আপনার মস্তিষ্ক ভালো থাকবে মস্তিষ্ক ভালো রাখার জন্য আপনাকে পর্যাপ্ত পরিমাণে স্বাস্থ্যকর খাবার এবং প্রচুর পরিমাণে পানি পান করতে হবে যাতে আপনার মস্তিষ্কে রক্ত চলাচল করতে কোন বাধা সৃষ্টি না করে এই কাজগুলো করতে পারলে আপনার মস্তিষ্ক সমস্ত রক্তনালী আস্তে আস্তে বৃদ্ধি পেতে থাকবে।

মস্তিষ্কে রক্ত চলাচল বন্ধ হয়ে গেলে কি হয়

মস্তিষ্কের রক্ত চলাচল বন্ধ হয়ে গেলে, চিকিৎসকের মতে মাথায় রক্ত চলাচল কমে গেলে বা রক্ত চলাচল করতে বাধাগ্রস্ত হলে মস্তিষ্কের কোষের মৃত্যু হয়।তখন মানুষ স্টোক করে রক্ত চলাচল বন্ধ হয়ে গেলে সমস্যা ঠিক করার জন্য আপনাকে নিয়মিত ব্যায়াম করতে চিকিৎসকের মতে মস্তিষ্ক রক্ত চলাচল কমে গেলে নিয়মিত ব্যায়াম, সাঁতার কাটা, বাইসাইকেল চালানো,

 মতো আরো অনেক ব্যায়াম যা হাত ব্যবহার,করে করতে হয় সেগুলো আপনাকে নিয়মিত করে যেতে হবে।যদি নেশাদ্রব্য যেমন ড্রাগ অ্যালকোহলের মতন তাহলে আপনাকে অবশ্যই ড্রাগস বা অ্যালকোহল থেকে বিরত থাকতে হবে। তাতে আপনার শরীর ও মন সবই সর্বদা ভালো থাকবে এবং আপনার মস্তিষ্কে রক্তনালি বৃদ্ধি পাবে এই কাজগুলো করলে 

আপনি মানসিকভাবে এবং শারীরিকভাবে সুস্থ জীবন কাটাতে পারবেন এবং আপনার মস্তিষ্ক ভালো থাকবে মস্তিষ্ক ভালো রাখার জন্য আপনাকে পর্যাপ্ত পরিমাণে স্বাস্থ্যকর খাবার এবং প্রচুর পরিমাণে পানি পান করতে হবে যাতে আপনার মস্তিষ্কে রক্ত চলাচল করতে কোন বাধা সৃষ্টি না করে এই কাজগুলো

 করতে পারলে আপনার মস্তিষ্ক সমস্ত রক্তনালী আস্তে আস্তে বৃদ্ধি পেতে থাকবে এবং আপনার আগের মতো রক্ত চলাচল বৃদ্ধি পাবে তাহলে উপরের কাজগুলো অবশ্যই নিয়মিত করতে হবে এবং শরীর সুস্থ রাখতে হবে পুষ্টিকর খাবার ও পর্যাপ্ত পরিমাণে পানি পান ও নিয়মিত ব্যায়াম যা আপনার মস্তিষ্ককে সতেজ রাখতে সাহায্য করে।

মস্তিষ্কের রক্তনালী ফেটে গেলে কি হয়

মস্তিষ্কের রক্তনালী ফেটে গেলে, এর কারনে মস্তিষ্কের রক্তপাত হয় একটি জীবন হুমকির মুখে পড়ে চিকিৎসা জরুরি ভাবে করা লাগে। মস্তিষ্কের রক্তনালী ফেটে গেলে যে আপনি অবিলম্বে এই অবস্থায় চিকিৎসা করার জন্য অবশ্যই আপনি চিকিৎসকের সাথে পরামর্শ নিন মস্তিষ্কে একটি রক্ত জমাট বাঁধে যখন 

আপনার মস্তিষ্কের একটি রক্তনালী সংকোচিত হয়ে ফেটে যায় যা শরীরের অন্য অংশে পর্যন্ত রক্ত প্রবাহ দেয় এর ফলে প্রচন্ড মাথা ব্যথা শরীরে খিচুনি মতো আরও অনেক সমস্যা হতে পারে এক্ষেত্রে সময়মতো চিকিৎসা না পেলে আপনার মৃত্যু পর্যন্ত হতে পারে। মস্তিষ্কে অনেক রক্তনালী থাকে এগুলো জালের মত বিস্তৃত হয়ে রক্ত সরবরাহ করে 

এবং একটি রক্তনালী ভাগ হয়ে দুইটি শাখা বা তিনটি শাখায় পরিণত হয়, রক্ত চলাচল করার সময় এই ভাগ হওয়া অংশে রক্তচাপ বেশি পরিমাণে পড়ে ফলে রক্তনালীর ওই অংশ দুর্বল হয়ে পড়ে। যাকে বলা হয় অ্যানিউরিজম। এই অ্যানিউরিজম ফেটে যায়, ফেটে কেটে যাওয়া অংশ দিয়ে মস্তিষ্কের রক্ত ছড়িয়ে পড়ে, আর একে বলে

 সাব অ্যারাকনয়েড হেমোরেজ এই সাধারণত আমরা জাপানের হিরোশিমায় ফেলা অ্যাটম বোম বলা হচ্ছে। এর কারণ হলো গবেষণার তথ্য মতে, এই রোগে আক্রান্ত ব্যক্তি ১০ থেকে ২৫ শতাংশ মারা যায় হাসপাতালে পৌঁছানোর আগেই। এতে আরো ৩০ থেকে ৪০ শতাংশ মানুষ মারা যায় প্রথম ১০ থেকে ৩০ দিনের মধ্যেই। এর মানে হল মোট আক্রান্তের ৫০ শতাংশ মারা যায় প্রথম ১০ থেকে ৩০দিনের মধ্যে। এ রোগের লক্ষণ দেখলে অবশ্যই আগে থেকে চিকিৎসকের পরামর্শ জরুরিভাবে নেওয়া প্রয়োজন।

আমার শেষ কথা

বিশেষজ্ঞদের মতে মস্তিষ্কের রক্ত সরবরাহ বাড়ানোর জন্য প্রয়োজন নিয়মিত ব্যায়াম, ও স্বাস্থ্যকর খাবার মানসিক চাপ কমানো এবং কি পর্যাপ্ত পরিমাণে ঘুম এবং স্বাস্থ্যকর জীবন দ্বারা অনুসরণ মস্তিষ্ক একটি এমন একটি রোগ যা হলে অধিকাংশ লোক টেনশন বা দুশ্চিন্তা দুশ্চিন্তা করে কোন প্রকার দুশ্চিন্তা করার আগে অবশ্যই আপনি ডাক্তারের পরামর্শ নিন 

এবং রোগ বিষয়ে আমরা উপরের তথ্যগুলো পড়ে যা জানতে পেরেছি যে মস্তিষ্কের সমস্যা হলে তা অতি শীঘ্রই ডাক্তারের সাহায্য নেওয়া যদি আপনি প্রথমেই এই চিকিৎসা করেন তাহলে মনে হয় আপনি এই রোগ থেকে মুক্তি পাবেন এই পোষ্টের লেখা বা কোন কিছু যদি আপনারা বুঝতে না পারেন তাহলে অবশ্যই আমাদের কনট্যাক্ট পেজে যোগাযোগ করবেন।

এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পূর্বের পোস্ট দেখুন পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

আশিক টেক আইটি নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন প্রতিটা কমেন্টে রিভিউ করা হয় নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।

comment url